শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৩

কানাইয়ের কথা


কানাইলাল বসুদেব যাদব
ছোটবেলায় ছিল ভীষণ বেয়াদব
নদির ঘাটে মেয়েদের স্নানের সময়
কাপড় লুকতে ছিল নাক ভয়
আজকে হলে হয় পুলিশে ধরত
নয়তো পাড়ার দাদারা ধরে কিলোত
ঊঠত অবশ্যি তাতে পাড়াতে কলরব
কেননা সে ছিল মেয়েদের হার্টথ্রব
মেয়েরা জানত ছেলেটা ভাল
গায়ের রঙ যদিও কাল
ফেসবুকে সে দিলে স্ট্যাটাস
লাইক পেত সেকেন্ডে একশো আঠাশ
গতকাল তার জন্মদিন পালন করি

দুহাত তুলে বলেছি হরি হরি।।

বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৩

MY NEW BLOG

I have started writing in a new blog. it is in <dilip1935.blog.com>, My followers are requested to see me there and send any comments good or bad. everything other than physical beatings are anticipated and expected. I will try to be more humorous there.

সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৩

লাল বাড়ির কথা



ষোড়শ শতাব্দীতে রাণী ভিক্টোরিয়ার কাছ থেকে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ব্যবসার যে  ছাড়পত্র পায় সেটা এ দেশে মুঘল, আফগান, পর্তুগীজ, ওলন্দাজ, ফরাসীদের মতন দেশের কিছু অংশের উপর আধিপত্য বিস্তারের ছাড়পত্র  ছাড়া আর কিছু ছিল না। অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ব্যবসায়ী থেকে শাসক হিসাবে রূপান্তরিত হয়ে যায়।
ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারবর্ষে তিন জায়গা, মুম্বাই, মাদ্রাজ এবং কলকাতায় তিনটি ব্যবসায়ের কেন্দ্র গড়ে তোলার কথা  চিন্তা করে।  গঙ্গার নাব্যতা, গুদাম বানানোর জন্য জায়গা কলকাতাকে কেন্দ্র হিসাবে স্থির করে দেয়।  লালদিঘির সুপেয় জল এবং দিঘির চারদিকের  জায়গা, এখানেই তাদের কেন্দ্র গরে তোলায় প্রোৎসাহন দেয়।  ঈষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আসলে ব্যবসায়ের নামে এক দখলকারী সংস্থা ছিল। এর কর্মচারীদের মধ্যে সৈনিকদের সংখ্যাই ছিল প্রধান যাতে এরা স্থানীয় লোকেদের উপর জবরদস্তি করে ব্যবসা এবং সাম্রাজ্য বিস্তার করতে পারে।
১৬৯০ নাগাদ পুরনো কেল্লা বা ফোর্টের আওতার মধ্যেই ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জুনিয়র ক্লার্ক বা করণিকরা মাটির তৈরী কাঁচা বাসাতে থাকতো। ১৬৯৫ সালের জুন মাসের শেষের দিকে এক ঝড়ে এই সমস্ত কাঁচা বাড়ী ভেঙ্গে যায়। তখন ফোর্টের ভেতরেই আবার তাদের জন্য বাসা বানান হয়। আজকে যেখানে জি পি ও আছে সেখানে থেকে ফেয়ারলি প্লেস পর্যন্ত জায়গাতে এই বাসা বাড়ির জায়গা বানান হয়।
১৭৭০ সাল নাগাদ যখন বৃটিশরা  আমেরিকা থেকে বিতারিত হল তখন তাদের নজর আবার পূর্ব দিকে সরে এসেছিলভারতে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ব্যবসা করছিল বটে কিন্তু সেটা ছিল লোকসানের ব্যবসা। কারণ কোম্পানি চালানোতে দক্ষতার অভাব এবং চুরি।। তাই ১৭৭৩ সালে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীকে ঢেলে সাজান হল। একজন গভর্ণর জেনারেল নিয়োগ করা হল যাতে তিনি লাভের দিকে বিশেষ ভাবে নজর দেন।তা ছাড়া  ইতিমধ্যে যে সমস্ত জায়গা বৃটিশ শাসনে এসেছিল সেখান থেকে যাতে  কোন রকম কুশাসনের কথা বৃটেনে না পৌছায় সেটাও দেখার দায়িত্ব তাকে দেওয়া হল।
ওয়ারেন হেষ্টিংস চীনে আফিং রপ্তানি করে লাভ বাড়ালেন আর তার সাথে শক্ত হাতে শাসন চালু করলেন। এ কাজের জন্য তার দরকার ছিল একদল লোক যারা হিসাব নিকাশে দক্ষ, যারা ভারতীয় ভাষায় কথা বলতে পারে। এরা হল করণিক অথবা ক্লার্ক বা রাইটার্স। কিন্তু এদের থাকা্র জন্য একটা বন্দোবস্ত করতে হয়। আগে যে জায়গা ছিল সেগুলো কাঁচা ছিল। তাই ফর্টন্যাম নামে এক সিভিল আর্কিটেক্ট আর টমাস লায়ন নামে এক ছুতোর মিস্ত্রীদের ভার দেওয়া হল রাইটার্স বিল্ডিঙ্গের নক্সা তৈরী করতে। এদের নক্সাতে তৈরী হল রাইটার্স বিল্ডিঙ্গের আদি রূপ  যেটা আদতে মিলিটারী ব্যারাকের আদলে তৈরী।
হেষ্টিংস যখন গভর্নর তখন রিচার্ড বারওয়েল ছিলেন কাউন্সিলের মেম্বার। পুরনো ভাঙ্গা সেন্ট অ্যান চার্চের জমির সাথে পাশের জায়গাটিকে মিলিয়ে বারওয়েলের তরফে টমাস লায়নকে দেওয়া হল যাতে তিনি ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্লার্কদের(করণিক) থাকার জায়গা বানাতে পারেন। এই ক্লার্কদের রাইটার্স বলা হত বলে বিল্ডিঙ্গের নাম হল রাইটার্স বিল্ডিং। এটা হচ্ছে ১৭৭৬ সালের ঘটনা। সেই সময়ে কলকাতার প্রথম তিনতলা বাড়ি হল এই রাইটার্স বিল্ডিং। তৈরী করা হয়ে গেলে ১৭৮০ সালে রিচার্ড বারয়েল ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীকে তাদের করনিকদের থাকার জায়গা হিসাবে পাঁচ বছরের জন্য বাৎসরিক ৩১৭০০ টাকাতে লীজ দেন
কুড়ি বছর বাদে ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ এই সমস্ত করনিকদের ভারতীয় ভাষা শেখানর জন্য এই রাইটার্স বিল্ডিঙে শিক্ষা দেবার ব্যবস্থা চালু করেন।  পরের কুড়ি বছরে ক্রমে এখানে ছাত্রদের জন্য হোস্টেল, ক্লাসরুম, লাইব্রেরী, পরীক্ষার জন্য আলাদা জায়গা তৈরী করে নেওয়া হয়।
১৮২১ সালে দোতলা এবং তিনতলাতে ১২৮ ফুট লম্বা বারান্দা তৈরী করা হয় আর ৩২ ফুট উচু থাম তৈরী করা হয়। কিন্তু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ১৮৩০ সালে এখান থেকে স্থানান্তকরন হলে রাইটার্স বিল্ডিং ব্যক্তিগত মালিকানাতে চলে যায় এবং রিচার্ড বারওএলের ছেলেরা এক ট্রাষ্ট তৈরী করে বাড়িটা আবার কোম্পানি কে লীজে দেন। সেই সময় কোম্পানির ক্লার্কেরা রাইটার্স বিল্ডিং কে তাদের থাকার জায়গা ছাড়াও মস্তির জা্যগা হিসাব ব্যবহার করেছিল। যার যেমন দরকার লোকেরা তাদের ইচ্ছে মতন দোকান, গুদাম, বাসাবাড়ি বানিয়ে নিয়েছিলগভর্ণমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজও কিছুদিনের জন্য এখানে কলেজ করেছিল। লোকে রাইটার্স বিল্ডিংকে একটা ভাঙ্গা হাসপাতালের সাথে তুলনা করত।
১৮৩৬ সালে লর্ড বেন্টিঙ্ক এই সমস্ত ইচ্ছে মত বাড়িটাকে বদলে নেওয়াকে আইন করে বন্ধ করে দেন।  
এর বছর চল্লিশ বাদে ১৮৭১ নাগাদ লেফটেন্যান্ট গভর্নর জর্জ ক্যাম্পবেল দেখলেন তার অফিসের জন্য কিছু জায়গার দরকার। ভাবা গেল এই রাইটার্স বিল্ডিঙ্গের কথা। কিন্তু ইষ্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কোম্পানি এই রাইটার্স বিল্ডিঙ্গের বেশ কিছু জায়গা দখল করে ছিল আর তাদের অফিসের জন্য নতুন জায়গা পাচ্ছিল না। বছর তিনেক বাদে  ১৮৭৭ নাগাদ লেফটেন্যান্ট গভর্নর অ্যাসলী ইডেনকে বলা হল সাডার স্ট্রিটে আর চৌরিঙ্গীতে যে সমস্ত অফিস ছিল সেগুলোকে তুলে রাইটার্স বিল্ডিঙে নিয়ে আসতে। জায়গার অভাবে দেখা গেল। তাই ১৮৮২ র মধ্যে তিনটে নতুন ব্লক তৈরী করা হল। বলে রাখি আগে রাইটার্স বিল্ডিঙ্গের সাথে অনেকটা ফাঁকা জায়গা পড়ে ছিল।  এর পরে আরও দুটি ব্লক তৈরি করে সমস্ত অফিস গুলিকে একসাথে করা হল। দুটি লোহার তৈরী সিড়ি দেওয়া হল যাতে এই ব্লকগুলিতে যাওয়া যায়। ১৮৮৩ নাগাদ রাইটার্সের উপরে দেবী মিনার্ভা এবং আরও চারটি মুর্তি ( বিচার, বানিজ্য, বিজ্ঞান এবং কৃষি)(জিউস, হারমিস, এথেনা এবং ডেমেটার) প্রতিষ্ঠা করা হল। এগুলির ভাস্কর হলেন উইলিয়াম  ফ্রেডেরিক উডিংটন। একই সাথে  মাঝখানে পোর্টিকো করা হল।এর গায়ে করা হল লাল রঙ যার জন্য  একে অনেকে লালবাড়ি বলে থাকে। আপাতত রাইতার্সে সর্ব মোট ১৩ট ব্লক আছে তার মধ্যে রোটান্ডার সাথে প্রধান পাঁচটি ব্লক হেরিটেজ বিল্ডিং এর আওতায়  পড়ে।  
স্বাধীনতার আন্দোলনে ১৯৩০ সালের ৮ই ডিসেম্বর, বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত আর দীনেশ গুপ্ত তখনকার প্রচন্ড অত্যাচারী পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনেরাল কর্ণেল এন এস সিম্পসনকে  এই রাইটার্স বিল্ডিঙে গুলি করে মারেন। গুলি চালনার পরা তারা বিরাট পুলিশ বাহিনীর সাথে মোকাবিলা করতে করতে যখন দেখেন তারা কোন ঠাসা হয়ে পড়েছেন তখন  বাদল গুপ্ত পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মহত্যা করেন। বিনয় বসু এবং দীনেশ গুপ্ত তাদের রিভলভার থেকে নিজেদের উপর গুলি করেন। এর পাচদিন বাদে হাসপাতালে বিনয় বসু মারা যান,দীনেশ গুপ্তকে বৃটিশ সরকার ফাঁসি দেন। আজ সমগ্র ডালহাউসী এলাকা {এই তিনজনে নামার আদ্যাক্ষর নয়ে তৈরী বি(নয়), বা(দল) দী(নেশ)} বিবাদী বাগ বলা হয়।
রাইটার্স বিল্ডিং ভুত? আজ্ঞে হ্যাঁ বিল্ডিঙ্গের প্রহরীদের মতে আছে। যদিও তারা কারুর কোন ক্ষতি করেনি কিন্তু রাতে রাইটার্স বিল্ডিঙ্গের অলিন্দে তাদের পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়। মাঝে মাঝে রাইটার্সদের হল্লা হুল্লোরের আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায়। কেউ কেউ আবার কান্নার আওয়াজ পেয়েছেন। রাতে প্রহরী ছাড়া এখানে কেউ থাকেন না।
.
আমার নতুন ব্লগ dilip1935.blog.com  গিয়ে দেখবেন এবং মতানত জানাবেন।



রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৩

ছ্যাছড়া খাবেন কি?



 
ছ্যাছড়া খাবেন বলে কি বাজারে যাচ্ছেন
তাহলে জেনে নিন কোথায় কি পাচ্ছেন,
প্রথমেই তুলে নিন গোটা কতক গেঁটে কচু
শুখনো দেখে বেছে নেবেন মাথা করে নীচু
তার পরে চাই পুই ডগা বা শাক
ঐ দিকে শাকওয়ালা দিচ্ছে হাঁক
একটা ডগা পুঁই দশ টাকা খুবই সস্তা
পড়ে আছে আর মাত্র সিকি বস্তা
তার পরে চাই কুমড়ো, চলবে না লাউ
ঢ্যাসকুমড়ো হলেই বা, কেউ দেবেনা ফাউ
বিচি গুলো ফেলবেননা, শুখিয়ে নিন
প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের ওটা দেশি মেডিসিন।
এবার চাই  মাছের মুড়ো কিম্বা কুচো চিংড়ি
একটা রুইএর মুড়োর দাম মাত্র গোটা কুড়ি
আর লাগছে তেল কিছুটা, একশ টালা কিলো
কিন্তু তেলের নাম করে মুদীভাই এটা কি দিল।
একশ মিলি তেল খতম এক রান্নার ধাক্কায়
কেন যে ওনার মাঝে মাঝে এসব সখ চাগায়
মাস শেষ হতে এখনও হপ্তা খানেক বাকী
রোজ সকালে ক্যালেন্ডারে তাইতো চোখ রাখি
ধার করেও ঘি খাবে বলেছেন চার্বাক মুনি
খেয়ে দেয়ে ফতুর হওয়া, এটাই সার জানি।
 

বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৩

পিঁয়াজ না পিঁয়াজি


গিয়েছিলাম বাজারে পিঁয়াজ কিনতে

দিইনিকো কাউকে সে কথা জানতে
বলবে যে লোকে, হয়েছে বড্ড বড়লোক
নইলে পিয়াজের দিকে বাড়াচ্ছে চোখ।
কদিন বাদে বিয়েতে যৌতুক হবে এক বস্তা পিঁয়াজ
বর কনের চেহারাটা ভেবে নিন আজ
পিয়াজের চন্দ্রহার মেয়ের গলায় দোলে
কোমরেতে পিয়াজের বিছেহার ঝোলে
বরের হাতে ধানী পিয়াজে আংটী
বরকর্তা নিচ্ছেন হিসেব পিয়াজে ওজনটি
সোনার কারিগরদের পড়েছে মাথায় হাত
আস্তানা তাদের এখন খালি ফুটপাথ
খুলেছে ম্যলেতে এসি লাগানো পিয়াজের দোকান
কিনতে লোকেদের যাতে না ছোটে ঘাম
ভেঙ্গে গেছে ঘুম, চোখটা খুললাম
তবে কি এতক্ষন পিয়াজি করলাম।

রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৩

তরুর ঝাড়ু বিক্রী


ঝাড়ু, ঝুল ঝাড়া ঝাড়ু,
আমার লাঠিটা কাঁধে নিয়ে
দোতলার বারান্দা দিয়ে
জোরসে চেঁচাতে থাকে গলা করে সরু
আমাদের তরু।
সকালে এসেছিল এক ঝুলঝাড়ুওয়ালা
 লোকটার আওয়াজ শুনে
মা নিল দুটো কিনে
লম্বা ডান্ডার মাথায় লাল ফুল ওয়ালা,
তাই দেখে তরু বলে
আমিও ঝাড়ুওয়ালা হলে
পাওয়া যাবে অনেক পয়সা
প্র্যাকটিস করছি আমি
বিরক্ত করবে না তুমি
কাল থেকে শুরু যে আমার ব্যবসা।
আমি বলি ওরে থাম
রোদে মুখ ভর্তি ঘাম
ঝাড়ু বয়ে কাঁধে হবে ব্যথা
তার চেয়ে গাড়ি নিয়ে
ডিকিতে ভর্তি করে
বেচে দেওয়া অনেক সোজা কথা।
তাই শুনে কিছু পরে
তরু এসে বলে মোরে
আমার যে নেই কোন গাড়ি
বলি আমি দাদুভাই
গাড়ি যে আমার চাই
নইলে হয়ে যাবে আড়ি।।


শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৩

সিন্ধুরক্ষক

আমরা যখন কোন রক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাই তখন আমাদের  সেখানকার ছবি তুলতে দেওয়া হয় না। কিন্তু আমেরিকার হাফিংটন পোষ্ট কোন জায়গা থেকে ডকের ছবি তুলে aol .com   এ ছেপে  দিয়েছে। এতে কি রক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটি ধরা পড়ে না?

বুধবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৩

পিয়াজ কে খাবে?

পিয়াজের দাম এক শো টাকা! না গোঁ না শূন্যর তো কোন দাম নেই তাই ওটা মনে হয় এক ধরে চলতে হবে।  কিন্তু এটা কি কথা! পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয় কৃষি মন্ত্রী কলকাতা শহরের অধিবাসীদের দুঃখে ব্যথিত হয়ে মাত্র ৩৫ টাকা কেজি দরে ছ ছটি বাজার থেকে পিঁয়াজ বিক্রী করার বন্দোবস্ত করাছেন। অর্থাৎ মালদার লোককে পিঁয়াজ কিনতে কলকাতা আসতে হবে। গাড়ী ভাড়া কে দেবে জানা নেই। কিন্তু কেন তারা আসবেন? তারা কি মফঃস্বলে থাকেন বলে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক। তাদের পিঁয়াজ কে দেবে, পিঁয়াজ তো বাঁশ নয় যে কেউ দিতে পারলেই হল। শোনা যাচ্ছে এই নিয়ে একটা বিশেষ আন্দোলন শুরু হতে যাচ্ছে। মহামান্য কোর্টে কেউ মানবাধিকার লঙ্ঘনের মামলা করেছেন কিনা এখনও খবর নেই। পেলেই আবার ব্লগে এসে জানাব।

সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০১৩

বাবাইএর ছবি


বাবাই খুব মন দিয়ে ছবিটা আঁকছিল

হঠাত মাথা তুলে জিজ্ঞেস করল

দাদু, বলতে পার আগুন কি করে আঁকব

রকেটের নীচে আগুন কি ভাবে দেখাব।

আমি বলি লাল রঙ আগুনের

কিন্তু আকাশের নীলে দিলে হয়ে যাবে বেগুনী

সেটাই তো আরও মুশকিল

নীল আকাশে নীল আগুন মিশে যাচ্ছে এখনি

নীল রঙের আগুন, কোথাও তো দেখিনি

কেন ষ্টোভের আগুনের রংটা কি দেখনি

তাকিয়ে দেখি আরও

একেছে সবুজ রঙের পাহাড়

তাতে মেঠো রঙের গাছেরা দিয়ে আছে সার

আমি বলি ভুল করেছিস

পাহাড় কোথায় তুই সবুজ রঙের দেখেছিস

তৎক্ষণাৎ জবাব এল,

কেন পাহাড়ে কি ঘাস হয়না

ঘাসের রঙ কি সবুজ হয়না।

আর এগুলো হচ্ছে গাছের সারি

কাটা হয়েছে তাদের ডালগুলো

তাইতো ওপরেতে সবুজ পাতা নেই

যেন দাঁড়িয়ে আছে নুলো।

আমি বলি ওরে ছবিটা আমাকে দে

কোনটা কি এঁকেছিস লিখতে হবে আমাকে

বাবাই বলে দাদু তুমি একটু দাড়াও

এখনি শেষ করেনি এটা

নয়ত দাদা এসে আমার ছবির বাজাবে বারটা।

অপেক্ষায় আছি কবে পাব নীল আগুনের ছবি

পেলেই পরে দেখানো হবে বাবাই মার্কা ছবি।।
 
ছবিটা আমি এখনও পাই নি ।দাদুভাই তার স্কুলের পড়া নিয়ে খুব ব্যস্ত কাজেই আপনাদের অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।
 

রবিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৩

সিঙ্গাপুরী ডাকটিকিট

১৯৮০ সালের মার্চ- এপ্রিল মাসে সিঙ্গাপুর জাহাজের ছবি দিয়ে দুটি সেট টিকিট বার করে। তার মধ্যে  ডলার মূল্যের টিকিটগুলি ছিল যন্ত্রচালিত জাহাজের এবং সেন্ট দামের টিকিটগুলি ছিল পাল তোলা জাহাজের। এই সিরিজ থেকে ৬টি টিকিট আমার কাছে আছে।  ইচ্ছুক সংগ্রহকারী আমার  মন্তব্য কলমে যোগাযোগ করতে পারেন। টিকিট গুলির ছবি নীচে দিলাম। টিকিটের অবস্থা খুব ভাল।

 

শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৩

মাংসের অপভ্রংশ


 
বার্গার খাবার জন্য বায়না শুনে
জিজ্ঞেস করলাম পকেটের পয়সাগুলো গুনে
বিগ ম্যাকে এখনও দিচ্ছে অরিজিনাল মাংস
দোকানে আসেনি এখনও তার অপভ্রংশ
কটা দিন কি সবুর করা যায়না?
এখনই কি তোমাকে করতে হবে বায়না।
কাগজে লিখেছে স্বাদে গন্ধে কোন তফাৎ নেই
দুঃখ খালি জন্তুগুলো যাচ্ছে যে বেঁচেই
তারপর তাদের দেহ থেকে নিঃসৃত মিথেন
পৃথিবীতে কতটা বাড়বে সেটা তারা হিসাব করে দেখছেন
কিন্তু একথা বলেছেন যে মাংসটা সস্তা হবেই
কেননা এর জন্য কোন কাচামালের দরকার নেই
শুধু কোষের জীনগুলোর কয়েকটাকে
একটু কাট ছাঁট আর অ্যাডজাষ্ট করে নিতে হবে
তাই বলছি আর কটা দিন ধৈর্য্য ধরোনা দাদা
দোকানে তখন মিলবে টিনে নকল মাংসের গাদা
বার্গার, রোষ্ট, সান্ডউইচ কি কারী
যেটা চাইবে সস্তায় সেটা তখন কিনতে পারি।

শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০১৩

ঈদের শুভেচ্ছা

রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খূসীর ঈদ। সবাইকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা। HAPPY EID TO ALL.

বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০১৩

ডাকটিকিট

শ্রীলঙ্কা  বিশ্ব ডাক দিবস (U. P. U.) উপলক্ষে  ডাক টিকিট বার করেছিল।  টিকিটের ছবি দিলাম।

মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০১৩

আমার ডাকটিকিট (my Stamp Collection)


আমার কিছু প্রথম দিনের ছাপ মারা খামের ছবি দিলাম। এই সম্বন্ধে একটা ই-বুক লেখার চেষ্টা করছি। মনে হয় দিন পনের লাগবে তৈরী হতে।
 
 

এ ছাড়া রবি ঠাকুরের খামে মতিলালের টিকিটে ছাপ মারা খাম আছে।

For people who cannot read Bengali script. My earlier link took you to my other site bebo.com and asked you to log in. I am sorry for the trouble. those photographs will be uploaded here in small blog shortly. Also please wait for my catalogue type write-up on this issue  in e-book format to be published from Smashwords.
 

বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট, ২০১৩

Stamp Collection


I have the following set of used postage stamp of England for sale. The set comprises of Catalogue No SG 453 =456a of Stanely Gibbons. The set is very rare. A photograph of the set is enclosed people interested in buying may refer the catalogue and offer their quotation. item is on C.O.D/ basis. The  buyer may post their intention with mail id to enable me in contacting them.